পাতাং

0.0 0 reviews

পাতাং

৳300
In stock SKU: bap1131
Weight300G

Bhaskar Chattopadhyay

Bhaskar Chattopadhyay is an author, translator, film critic, and scriptwriter. He has written more than a dozen books, some of which include the mystery thrillers-Patang, Penumbra, and Here Falls the Shadow. He has also novelized Satyajit Ray’s legendary 1966 film Nayak. Bhaskar lives in Bengaluru with wife and sons Ishaan and Emon.

Shahriar Shaikat

শাহরিয়ার সৈকত জন্মগ্রহণ করেন ১৯৮৫ সালে বগুড়া জেলায় নানাবাড়ীতে। বাবা সরকারী চাকুরে হওয়ায় বিভিন্ন স্কুলের পড়া শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিন্যান্স বিভাগে ভর্তি হোন ২০০৫ সালে। যদিও তা সম্পূর্ন করার আগেই যোগ দেন চাকরীতে। বর্তমানে অবসর সময়ে মৌলিক লেখার পাশাপাশি অনুবাদে হাত পাকাচ্ছে। তার অনূদিত গ্রন্থ- মায়াজাল, বিহাইন্ড দ্য ক্লোজড ডোর এবং পাতাং। এছাড়া বেশকিছু অনুবাদ সংকলনেও বের হয়েছে।

Secure checkout Genuine product

Shipping Info

Shipping Fee In Dhaka City ৳22

Shipping Fee Out side of Dhaka City ৳110

Delivery Info

Within 5 Days in Dhaka city and 10 days Outside of Dhaka

Warranty Info

No warranty

Return Info

In 3 days return after delivery

Ahnaf Tahmid  

ভিউ দেয়ার আগে আমি প্রথমে নেট ঘেঁটে একটু দেখে নিই বইটা সম্পর্কে কে কেমন কথাবার্তা বলেছেন। পাতাং নিয়ে আমার মধ্যে একটা কৌতূহল কাজ করেছিল একজনের কথা শুনে। তাকে নিয়ে লেখকের একটি ইন্টারভিউও পড়েছিলাম হিন্দুস্তান টাইমসে কিংবা দ্য হিন্দু (এর মাঝে কোনো একটা। ঠিক নিশ্চিত হতে পারছি না পত্রিকাটার নাম কী ছিল)। তার নাম শ্রীরাম রাঘাভান। বলিউডের থ্রিলার জনরা চলচ্চিত্রের অন্যতম দিকপাল শ্রীরাম পাতাংকে দিয়েছেন অকুণ্ঠ প্রশংসা। এবারের বইমেলা থেকে এই বইটাই প্রথম সংগ্রহ করলাম।
এবার আসি টুকরো কাহিনীতে।
মুম্বাই শহরে একের পর এক খুন হয়ে যাচ্ছে। মৃত শরীরগুলো সাজিয়ে রাখা হচ্ছে ঠিক ঘুড়ির আদলে। টেলিকম টাওয়ারের একদম উঁচুতে ঝুলিয়ে দেয়া হচ্ছে শরীরগুলো। পুলিশ খুনীর পেছনে আদাজল খেয়ে লাগল। কোনো লাভ হচ্ছে না। এরপর সাহায্য চাওয়া হলো ডাকসাইটে প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর এবং প্রাক্তন জার্নালিস্ট চন্দ্রকান্ত রাঠোরের কাছে। পুলিশের কাজে আগেও সে বেশ অনেকবার সাহায্য করেছে। পাতাং কিলারকে ধরতে তারও কালোঘাম ছুটে গেল। তবে শেষ পর্যন্ত ধরতে সমর্থ হলো সে।
গল্প এখানেই শেষ নয়। বলা যায় মাত্র শুরু হয়েছে। ঠিক তিনমাস পর আবারও হত্যাযজ্ঞ। ঠিক একইভাবে। পাতাং কিলার কি তবে ফিরে এসেছে? কিন্তু তা কীভাবে সম্ভব? চন্দ্রকান্ত তো সাইকোপ্যাথকে চোদ্দশিকের আড়ালে পাঠিয়ে দিয়েছে। তাহলে এই খুনগুলো করছে কে? কোনো কপিক্যাট কিলার নাকি আমাদের বুঝতে ভুল হচ্ছে? আসল খুনী আদতে ধরাই পড়েনি তো?
পয়েন্ট আকারে তুলে দিচ্ছি নিজের ভালো লাগা এবং মন্দ লাগাঃ
১) যেহেতু বইটার অনুবাদ পড়েছি, শুরুতেই আসি অনুবাদ প্রসঙ্গে। অনুবাদ সামান্য জড়তা আছে তবে তা টানটান উত্তেজনার পাতাংকে একটুও বিরক্তিকর মাত্রায় নিয়ে যায়নি। অনুবাদককে বলব তিনি যেন তার পরবর্তী অনুবাদগুলোটে জটিল বাক্যের ব্যবহার আরও কমান। সামান্য কিছু বানানের ভুল আছে। বাদবাকি ঠিকঠাক। পড়তে সমস্যা হয়নি। একটান দিয়েই পড়া গিয়েছে।
২) পাতাং-এর প্রধান নায়ক হচ্ছে এর কাহিনী। একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পাঠককে ধরে রাখবে, এ কথা নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি। চন্দ্রকান্ত রাঠোর যে সুপার হিউম্যান কোনো ডিটেকটিভ না, তারও ভুল হতে পারে- এটাও তুলে ধরা হয়েছে চমৎকারভাবে। তবে প্রতিটা অধ্যায়ে পাঠককে বারবার মনে করিয়ে দেয়া হয়েছে চন্দ্রকান্ত এবং খল প্রচণ্ড বুদ্ধিমান দুজন মানুষ। এটার দরকার ছিল না। তাছাড়া পুলিশ সুপারের সাথে চন্দ্রকান্তের বচসাও খুব একটা ভালো লাগেনি। পুলিশ যেখানে নিজেই সাহায্য চাইছে চন্দ্রকান্ত রাঠোরের, সেখানে তার সাথে এমন বাজে ব্যবহারের দরকার ছিল বলে মনে করি না।
৩) মুম্বাইয়ের প্রেক্ষাপটে তৈরি করা হয়েছে গল্পটা। যখন খুনগুলো হচ্ছে, তখন শহরে বৃষ্টিপাতের মৌসুম। বর্ণনার দিক থেকে কিছুটা খামতি মনে হয়েছে লেখকের দিক থেকে। বৃষ্টি এবং শহরের আবহাওয়া বইটির অন্যতম প্রধান দুটো এলিমেন্ট। লেখক কাহিনীতেই মন দিয়েছেন বেশি। বর্ণনার দিকে না। সেদিক থেকে দেখতে গেলে ঠিকই আছে।
৪) চরিত্রায়ণের দিক থেকে বলব পাতাং-এর অন্যতম টুইস্টিং এলিমেন্ট অনন্যা সম্পর্কে আরও একটু বিস্তারিত বললে ভালো হতো।
৫) গল্পের শেষটা একেবারে মাথা ঘুরিয়ে দেবার মতো। হত্যাকারী কে, সেটা নিশ্চিত হয়ে যখন একটা দেঁতো হাসি দিচ্ছি, ঠিক তখনই পুরো গল্পটা ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে গেল। এরকম যবনিকা আমি আশা করিনি। লেখক ভাস্করকে চট্টোপাধ্যায়কে একটা ধন্যবাদ দিতেই হয়।
৬) সাউথ ইন্ডিয়াতে যে ধরনের টানটান উত্তেজনাকর থ্রিলার চলচ্চিত্র তৈরি করা হয়, পাতাং তার কাছাকাছি যেয়েও ঠিকভাবে ছুঁতে পারেনি। লেখম নিজেই একটা ইন্টারভিউতে বলেছেন বইটি তিনি প্রথমে শুরু করেছিলেন চলচ্চিত্রের স্ক্রিপ্ট হিসেবে। পরে উপন্যাসে রূপ দিয়েছেন। প্রথম কারণ- লেখকের মূল ফোকাস ছিল কাহিনীতে। সেক্ষেত্রে তিনি সফল। তবে, চরিত্রায়নের দিকে খুব বেশি ডিটেইলিঙের চেষ্টা তিনি করেননি। প্রটাগনিস্ট এবং এন্টাগনিস্টের দ্বৈরথের মাঝেই নিমজ্জিত ছিলেন। বাকি চরিত্রগুলোর ব্যাপ্তি-বুৎপত্তি আমার মতো পাঠকদের কাছে অধরাই থাকবে (কিংবা না)

রেটিং: মূল গল্প- ৪.২/৫
অনুবাদ- ৪/৫

Ratings & Reviews of পাতাং

0.0/5

0
0
0
0
0

Write a review

Rating

Image Preview
Image Preview
Image Preview

Product Comments


Write a comment