Shipping Info
Shipping Fee In Dhaka City ৳22
Shipping Fee Out side of Dhaka City ৳50
Click the image to view a larger preview
লেখক: মোস্তাকুর রহমান
প্রকাশকাল: 2021
পৃষ্ঠা সংখ্যা: 176
বাঁধাই: হার্ডকভার
ড. মোস্তাকুর রহমানের জন্ম ১৯৮৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর, রংপুর শহরে। ডাকনাম সন্ধান। বাবা বজলার রহমান অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী, মা মাসুদা রহমান গৃহিণী। উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত লেখকের পড়াশোনা রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজে। তিনি ২০০৯ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব নিউ মেক্সিকো থেকে ২০১২ সালে মাস্টার্স ও ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যারোলাইনা থেকে ২০১৭ সালে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলাইনা প্রদেশের কলাম্বিয়া শহরে একটি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানিতে রোড ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত। লেখক ২০১৯ সালে ফারজানা খান রুমির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
লেখকের বেড়ে ওঠা সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে। তার নানা প্রয়াত মকবুল আলী ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম আব্বাসউদদীন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা এবং একজন কীর্তিমান ভাওয়াইয়া শিল্পী। প্রমাতামহ মৌলভী খেরাজ আলী ১৯৩৩ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘খাতুনিয়া সার্কুলেটিং লাইব্রেরি’, যা ছিল তৎকালীন বাংলাদেশে অনালোকিত নারীদের জন্য প্রতিষ্ঠিত প্রথম কোনো পাঠাগার। লেখকের লেখালেখির হাতেখড়ি শৈশবেই। ২০০৩ সালে রংপুর থেকে প্রকাশিত হয় তার কবিতাগুচ্ছের সংকলন ‘নীহারিকা ও নক্ষত্রবীথিকা’। ২০০৭ সালে বুয়েটে অধ্যয়নকালে সেখানকার সাহিত্যমনাদের নিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন কবিতার ব্লগ ‘জিয়নকাঠি’। ২০১৫ সালের একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয় তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সুন্দরের সমীপে’। ‘কীয়েক্টাবস্থা’ লেখকের প্রথম গল্পগ্রন্থ।
ই-মেইল: unmmostaq@gmail.com
ফেসবুক: https://www.facebook.com/sandhunt
Shipping Fee In Dhaka City ৳22
Shipping Fee Out side of Dhaka City ৳50
Within 5 Days in Dhaka city and 10 days outside of Dhaka city
No Warranty
In 3 days return after delivery
‘কীয়েক্টাবস্থা’ লেখকের বিচিত্র অভিজ্ঞতাপুষ্ট জীবনের গল্প। এ বইটিতে উল্লিখিত সব চরিত্র বাস্তব, সব কাহিনি নির্ভেজাল সত্য। রহস্য, রোমাঞ্চ, ভ্রমণ, প্রেম, বিরহ, কিংবা একজন নিরীহ ছাত্রের গতানুগতিক জীবন এই গল্পগুলোর বিষয়বস্তু হলেও, একটি বিশেষ ক্ষেত্রে বইটি যেন এক সূত্রে গাঁথা মালা। আর সেই সুতোটি হলো প্রাত্যহিক জীবনের নানা বিড়ম্বনা। প্রতিটি গল্পের শুরুতে আমরা দেখতে পাই কিছু নিদারুণ ঘটনা, আর শেষে গিয়ে এক চিলতে রোদ্দুরের মতো এক টুকরো হাসি। ঠিক যেমনটি আমাদের যাপিত জীবন।
কীয়েক্টাবস্থার গল্পগুলোর সূতিকাগার পৃথিবীর নানা প্রান্ত। কখনো তা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটের ছাত্রহল, কখনো তা হিমালয়ের পাদদেশ কিংবা নেপালের দুর্গম পথ, কখনো কাতারের ঊষর বিমানবন্দর, কখনো নিউ মেক্সিকো কিংবা মার্কিন মুলুকের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য।
জীবন, সে তো অনুমানের অতীত! এ কারণে ‘কীয়েক্টাবস্থা’ কোনো মিথ নয়, সত্য। যে ছেলেটি আজ সানন্দে প্রকৌশল যন্ত্র নিয়ে খুটখাট করে, যে মেয়েটি চিকিৎসক হওয়ার মানসে হাড়গোড় গোনে কিংবা যে ছেলেটি কোনো কিছুর পরোয়া না করে ভার্সিটির ক্যাফেটেরিয়ায় বসে তাস পেটায় আর সিগারেট ফোঁকে, সবাই তার নিজ নিজ জীবনের পরিক্রমায় নানা তিক্ত, বিচিত্র ও চমকপ্রদ অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে যায়। অভিজ্ঞতালব্ধ হলে কেউ তা ভুলে যায়, কেউ তা মনে রাখে। আর কেউ কেউ এই তুচ্ছ লেখকের মতো তা অহেতুক লিখে রাখে।
| 0 | |
|---|---|
| 0 | |
| 0 | |
| 0 | |
| 0 |
Product Comments
Write a comment