জন্ম ৩০ ডিসেম্বর ১৯৭৫, জেলা ফরিদপুর। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি ডিপার্টমেন্ট থেকে এম ফার্ম ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পরবর্তীকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ এবং ইংল্যান্ডের লেস্টার ইউনিভার্সিটি থেকে ক্রিমিনােলােজিতে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। কর্মজীবনে তিনি একজন চাকরিজীবী। BOIB তাঁর উল্লেখযােগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে,
সায়েন্স ফিকশন : রােবটিজম, ক্লিটি ভাইরাস, নিহির ভালােবাসা, লাল শৈবাল, গিপিলিয়া, বায়ােবােট নিওক্স, পাইথিন, লাল গ্রহের লাল প্রাণী, দ্বিতীয় পৃথিবী, ক্রিকি, ক্রি, লিলিপুটের গ্রহে, পৃথিবীতে লিলিপুটেরা, লিলিপুটদের ফিরে যাওয়া, রােববা, নিকি, অণুমানব, সবুজমানব, লালমানব, রােবটের পৃথিবী, প্রজেক্ট ইক্টোপাস, গিগাে, রিরি। সায়েন্স ফিকশন সিরিজ : রিবিট, কালােমানুষ, রিবিট এবং ওরা, রিবিটের দুঃখ, শান্তিতে রিবিট। ভৌতিক : অতৃপ্ত আত্মা, প্রেতাত্মা, আত্মা, রক্ততৃষ্ণা, অভিশপ্ত আত্মা, রক্ত পিপাসা, উলু পিশাচের আত্মা। গােয়েন্দা এবং কিশাের অ্যাডভেঞ্চার : ডাইনােসরের ডিম, লাল গ্যাং, নীল মৃত্যু, ববির ভ্রমণ, জমিদারের গুপ্তধন। প্যারাসাইকোলজি : মায়াবী জোছনার বসন্তে, জোছনা রাতের জোনাকি, মন ভাঙা পরী। ভ্রমণ উপন্যাস: বসন্ত বর্ষার দিগন্ত স্মৃতিকথা : এক ঝলক কিংবদন্তী হুমায়ূন আহমেদ মুক্তিযুদ্ধ : নক্ষত্রের রাজারবাগ, মুক্তিযােদ্ধা রতন। ‘জকি তার জীবনধর্মী বহুলপ্রশংসিত উপন্যাস। পুরস্কার : নক্ষত্রের রাজারবাগ গ্রন্থের জন্য এইচএসবিসি কালি ও কলম সাহিত্য পুরস্কার ২০১২।
বই ডিটেইলস-
জেসমিন অবাক হয়ে দেখছে নীল পাঞ্জাবি পরা বিদেশি মানুষটাকে। চোখ দুটোও নীল। এগিয়ে আসছে তার দিকে, বয়স ত্রিশ-বত্রিশ হবে। জেসমিন ঠিক বুঝে উঠতে পারল না কীভাবে মানুষটা এত রাতে তার ঘরে প্রবেশ করল। একবার ভাবল সে চিৎকার করবে। পরের মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পালটাল। দেখতে চায় কী করে। মানুষটা যে ঐশ্বরিক ক্ষমতার অধিকারী তাতে কোনো সন্দেহ নেই, তা না হলে এত রাতে তার ঘরে প্রবেশ করতে পারত না।
জেসমিনের অনুমানই সত্য হলো। আসলেই অলৌকিক ক্ষমতা আছে মানুষটার। তাকে মুহূর্তের মধ্যে ঢাকা থেকে নিয়ে এলো কক্সবাজারের হাডসন হিলে। কী সুন্দর সমুদ্র, পাহাড় আর প্রকৃতি! দারুণ ভালো লাগল হাডসন হিলকে। বেশি ভালো লাগল নীল চোখের মানুষটাকে, নাম জানা গেছে এর মধ্যে, ডাক্তার হাডসন। সময় যত পার হতে লাগল ততই কাছে আসতে লাগল দুজন, যেন তারা একে অন্যের পরিপূরক। তারপর হঠাৎই একদিন হারিয়ে গেলেন ডাক্তার হাডসন। কিন্তু জেসমিনের গর্ভে রেখে গেলেন নিজের সন্তান।
জেসমিন যখন ডাক্তার হাডসনকে খুঁজতে খুঁজতে পাগলপ্রায়, ঘটনাক্রমে পরিচয় হয় ডাক্তার তরফদারের সাথে। ডাক্তার তরফদারও খোঁজ করতে শুরু করলেন ডাক্তার হাডসনের। কিন্তু এ কী শুনছেন তিনি! ডাক্তার হাডসন তো বাংলাদেশে ছিলেন সেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, তারপর চলে গেছেন ইংল্যান্ডে। আর আসেননি। এতদিনে তার মৃত্যু হয়েছে নিশ্চিত! তাহলে কীভাবে তিনি এতদিন পর আবির্ভূত হলেন! আর কীভাবেই বা তার সন্তান ধারণ করল জেসমিন!
শেষ পর্যন্ত কি ডাক্তার তরফদার সন্ধান পেয়েছিলেন ডাক্তার হাডসনের? আর কী ঘটেছিল জেসমিন আর তার গর্ভের সন্তানের?
Product Comments
Write a comment